ভীষণ ভঙ্গুর অর্থনৈতিক দশায় একাত্তরে যাত্রা শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশ। দারিদ্র মোকাবেলা, কর্মসংস্থান বরাবরই ছিল সবচে বড় লড়াইয়ের জায়গা। দরিদ্র দেশ হিসেবে বিদেশী সাহায্য ও ঋণ নির্ভরতা বরাবরই ছিল বেশি। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ৪৭ বছরে সেই নির্ভরতা থেকে অনেকটা বেরিয়ে এসে বাণিজ্য নির্ভরতায় পৌঁছেছে।
তবে আয় বৈষম্য কমিয়ে দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার মূল লক্ষ্য এখনও বাস্তব হয়ে উঠেনি। সেটা অধরা থাকলেও সম্ভাবনার জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সঠিক কাজের প্রস্তুতিটা বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর আগে অন্তত দেখতে চান অর্থনীতির বিশ্লেষকরা। পাকিস্তানীদের শোষণে রুগ্ন দেশকে বাঁচাতে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় সব। মুক্ত, কিন্তু যুদ্ধবিদ্ধস্ত স্বদেশে বৈষম্যহীন, ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের পথ চলা শুরু।

৪৭ বছরে দেশের অর্থনীতির সামনে এসেছে অপ্রত্যাশিত নতুন সম্ভবনা ও চ্যালেঞ্জ। যার প্রেক্ষাপটে প্রতি পাঁচ বছরে প্রনীতি অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলোর সংস্কার হয়েছে। বিদেশী ঋণ ও সাহায্য নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে বাণিজ্য স্বনির্ভরতায় পৌছেছে। অর্থনীতির অনেক সূচকে বিজয়ের ৪৭ বছরে এসেছে সাফল্য। কিন্তু— আয় বৈষম্য ও দারিদ্রমুক্ত দেশ নির্মাণের মূল লক্ষ এখনও অধরা।
বাংলাদেশের কাছাকাছি সময়ে স্বাধীনতা অর্জনকারি অনেক দেশ এরই মধ্যে বাণিজ্যকভাবে শক্তিশালী স্থানে পৌছালেও স্বদেশ অনেকটাই পিছিয়ে। সময় উপযোগী গতিশীল নীতিমালা গ্রহন বরাবরই দুর্বলতার জায়গা বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। অর্থনীতির মূল স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দীর্ঘ। তবে বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর আগের ক’বছরে অন্তত সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগানোর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি দেখতে চান এই বিশেষকরা।
সীমিত সম্পদের দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। তাই দুর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে টেকসই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা চান অর্থনীতির এই বোদ্ধারা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




















