একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দেয়া হতে পারে। প্রাধান্য পেতে পারে বর্তমান মেয়াদের অসমাপ্ত প্রকল্প শেষ করার অঙ্গীকারও। আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এ তথ্য।
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ঘোষণা করেন তাদের নির্বাচনি ইশতেহার– দিন বদলের সনদ। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রতিশ্রুতি সেই ইশতেহারে দেয়া হয়েছিলো তা ব্যপক সারা ফেলে তরুণ ভোটারদের মধ্যে। সেই নির্বাচনে এক তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। দশম সংসদ নির্বাচনে মূলত ছিলো আগের ইশতেহারেরই ধারাবাহিকতা।
এবার একাদশ সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে ৩০ ডিসেম্বর। তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। জোর দেয়া হবে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে। বিপুল শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী করতে সেবা খাতেও গুরুত্ব দেয়ার কথা থাকবে ইশতেহারে। ইশতেহারে বহুমুখি শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিশিল্পের আধুনিকায়নসহ ১০টি খাতে উন্নয়নের বিশদ প্রস্তাবনা ভোটারের কাছে তুলে ধরা হতে পারে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে গত ১০ বছরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। থাকবে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশকে দারিদ্রমুক্ত করার অঙ্গীকারও।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























