বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে এই ওষুধের মার্কেট। কোনো দোকানেই নেই এফিড্রিন ইনজেকশন। পরে একটি দোকানে পাওয়া গেল, দাম ২০ টাকা। এবার ক্রেতা সেজে কিনতে গেলে পাশের দোকানেই দাম চাওয়া হলো ৩২০ টাকা। একই অবস্থা সারা দেশেই। দোকানে দোকানে ছুটতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের। ১২ টাকার ইনজেকশন কিনতে হচ্ছে ১৬০০ টাকায়ও।

অস্ত্রোপচার, রক্তচাপ ও হাঁপানির চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ এফিড্রিন ইনজেকশন। এর দাম ১২ টাকা, তবে বিক্রি হচ্ছে তিনশ থেকে ষোলশ টাকায়। সরবরাহ কম বলে দাম বেশি, দাবি দোকানিদের। তবে এর দায় নিতে রাজি নয় ব্যবসায়ী বা ওষুধ প্রশাসন।

এফিড্রিন ইনজেশন থেকে ইয়াবা তৈরি হয়, এমন সন্দেহে গত বছরের নভেম্বরে এর কাচাঁমাল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এক মাস আগে প্রত্যাহার করা হয় নিষেধাজ্ঞা। চারটি কোম্পানিকে অনুমতি দেয়া হয় কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদনের।
অস্ত্রোপচারের সময় অ্যানেসথেসিয়া ও রোগীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অপরিহার্য এই এফিড্রিন ইনজেকশন।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে