বেশিরভাগ আসনেই ধানের শীষ মার্কার জন্য একাধিক প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। হেভিওয়েট হিসেবে বিবেচিত প্রার্থীর সাথেও রাখা হয়েছে বিকল্প প্রার্থী। কোনো কারণে মূল প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থী ভোট করবেন- এই বিবেচনায় এমনটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি নেতারা।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে সোমবার বিকাল থেকে বিভাগ অনুসারে প্রাথমিক মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। প্রথম দিনে বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা বিভাগের পাশাপাশি রংপুর ও ঢাকার আশপাশের বেশ কিছু আসনের প্রার্থীরা দলের সবুজ সংকেতের চিঠি পেয়েছেন। দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগেই ২১টির মধ্যে ১৫টি আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী। অন্যান্য বিভাগেও এর ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।
পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার চৌধুরীকে। সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের পাশাপাশি বরিশাল -৩ আসনে প্রার্থী তালিকায় আছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবদীন।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে সাইফুর রহমান রানার বিকল্প তার স্ত্রী শামিমা রহমান আপন। রাজশাহী-৪ আসনে সাবেক এমপি আবু হেনার সঙ্গে মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন আবদুল গফুর। এবারের নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রশ্নে একেবারেই ঝুঁকি নিতে রাজি নয় বিএনপি। নীতি-নির্ধারকরা জানান, ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা দেখে ক্ষমতাসীন দল যাতে ভিন্ন কৌশল নিতে না পারে, সেজন্য সর্তক আছে জোট।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























