যশোরের ঝিকরগাছায় ডাকাত অভিযোগে ডিবি পুলিশের চার সদস্যকে পেটানোর পর হয়রানির আতঙ্কে বাড়িছাড়া অধিকাংশ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন বিভিন্ন বাড়িতে গ্রেপ্তার অভিযানের নামে ভাংচুর ও আতংক ছড়াচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তবে, এসব বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পুলিশি হয়রানির আতঙ্কে পুরুষশুন্য ঝিকরগাছার মাটিকোমড়া গ্রাম। ফাঁকা মসজিদ-মন্দির। বন্ধ দোকান পাট। উপস্থিতি কমে গেছে বিদ্যালয়ে। ভীতসন্ত্রস্ত জেএসসি পরীক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একমাসে কয়েকটি ডাকাতির ঘটনার পর , গত বৃহস্পতিবার রাতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জহুরুলের বাড়িতে অপরিচিত কয়েকজনকে দেখে আটক করে গ্রামবাসী। তারা ডিবি পুলিশের সদস্য দাবি করলেও পোশাক ও পরিচয়পত্র দেখাতে না পারায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। তাদের ব্যবহৃত গাড়ি থেকে ধারালো অস্ত্র ও মাদক পাওয়া যায় বলেও জানান গ্রামবাসী। ওই ঘটনায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে শতাধিক জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। আটক করা হয় ইউপি সদস্য, শিক্ষার্থীসহ ৪০ জনকে। গ্রেপ্তার অভিযানের নামে প্রতিরাতেই পুলিশ বিভিন্ন বাড়িতে তান্ডব চালায় বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।
তবে অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ডিবি পুলিশ সদস্যরা সেখানে গেলেও অপকর্মের সাথে জড়িত নয়। ডাকাত অভিযোগে হামলার শিকার হন গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল মুরাদ হোসেন, শিমুল হোসেন, মামুন আলী ও তাদের গাড়িচালক শাওন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























