আগামী ১০ বছরের ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে সর্বাধিক প্রযুক্তির সহায়তায় কাজ করবে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।
সোমবার সকালে বিজয়সরণী নভোথিয়েটারে এক গোলটেবিল বৈঠকে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরুর মধ্যে এসব কথা জানানো হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ রুশ রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশন ও পরমাণু প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট (এএসই) যৌথভাবে এই বৈঠক আয়োজন করে। পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত সর্বাধুনিক তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে রূপপুরে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেয়াদ ৩০ থেকে ৮০ বছর। চুক্তি অনুযায়ী, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ফেরত নিয়ে যাবে রাশিয়া । রুশ সহায়তায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন




























