রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি চুড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার। বহুল প্রত্যাশিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম ব্যাচে চারশ’ ৮৫ পরিবারের দুই হাজার ২৬০ জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার। উখিয়া-টেকনাফ ক্যাম্প থেকে প্রতিদিন দেড়শ’ জন করে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের যৌথ ওয়াকিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনের এই দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। সে অনুযায়ী শুরুতে টেকনাফের কেরুনতলি ঘাটের ট্রানজিট পয়েন্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলবে নৌপথে। তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে স্থলপথেও রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ।

প্রথমদিন বৃহস্পতিবার টেকনাফের নাফ নদীর তীরে কেরনতলী ট্রানজিট ক্যাম্প থেকে ফেরত যাবে দেড়শ রোহিঙ্গা। প্রথমে তাদের নেয়া হবে মিয়ানমারের অভ্যর্থনা কেন্দ্র নগা কিউ ইয়া পয়েন্টে। এর পর সেখান থেকে রাখাইনে নিজেদের ঘরে ফিরবে তারা।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুইন উ বলেন,”নৌযানে প্রতিদিন দেড়শ বাস্তুচূতকে ফেরত নেয়া হবে। এ প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। নদীর জোয়ার-ভাটা পর্যালোচনা করে বৃহস্পতিবার প্রথম ব্যাচের যাত্রার সময় নির্ধারন করা হবে। একই সাথে দ্বিতীয় দফায় পাঠানো তালিকাও যাচাই-বাছাই চলছে।” প্রত্যাবাসন চলমান রাখতে দ্বিতীয় ধাপে ২২ হাজার ৪৩২ রোহিঙ্গার পরিবারভিত্তিক তালিকা মিয়ানমারকে দিয়েছে বাংলাদেশ। দুই দেশের সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা ফিরে যাবার বিষয়টি নিশ্চিতে সহযোগিতা দিচ্ছে জাতিসংঘ শরনার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

রোহিঙ্গারা ফিরে যাবার পর চুক্তি অনুযায়ী তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব মিয়ানমারের। এ বিষয়টি তদারক করবে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে