বাংলা পঞ্জিকায় এখন কার্তিকের প্রান্তিক। কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। শেষ রাতে পড়ছে মৃদু কুয়াশা, থাকছে ভোর পর্যন্ত। রাজধানীতেই ব্যারোমিটারের পারদ থাকছে ১৭ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শীতের আমেজ শুরু হলেও নভেম্বরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের আশংকা। এরইমধ্যে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। তাই তাপমাত্রা কমছে- জানালেন তারা।

একটু একটু করে শীত পড়তে শুরু করেছে। কমছে তাপমাত্রা। এরইমধ্যে যোগ হয়েছে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, নভেম্বরের শেষে আরেকটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। মাঝ ডিসেম্বরে শৈতপ্রবাহ বয়ে যাবে উত্তর- পূর্বাঞ্চলে। জলবায়ু গবেষকরা বলছেন, বছরের এই সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

গবেষকরা বলছেন, ১৯৬০ সাল থেকে অক্টেবর–নভেম্বরে ৩০টি ঘূর্ণিঝড় হয়েছে বাংলাদেশে। যার মধ্যে ১৯৭০ সালের ১৩ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি হয় পাঁচ লাখের, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় সিডরের ক্ষত এখনও সারেনি।
আবহাওয়া অফিস বলছে, ডিসেম্বর মাস জুড়ে কয়েকটি মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। উত্তরের সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














