দেশের সড়ক কিংবা নদীপথে পরিবহনের পরিবর্তে বড় বড় পাইপলাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ আলাদা ৫টি পাইপলাইন বসানো হচ্ছে মাটির নীচে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন- বিপিসি বলছে, পাইপলাইন বসানোর কাজ শেষ হবে আগামী ৩ বছরে।
যান চলাচল, বিদ্যুৎ উৎপাদন আর সেচ কাজের প্রয়োজনে দেশে বছরে জ্বালানিতেল লাগে ৭০ লাখ টন। আমদানি করা এ তেল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সড়ক ও নৌপথে পাঠানো হয় দেশের নানা অঞ্চলে। কোনো কারণে যোগাযোগ ব্যাহত হলে দেখা দেয় জ্বালানি সংকট। আর এ কারণেই পাইপলাইন।

বিপিসি বলছে,পাইপলাইনে তেল সরবরাহ করলে সাশ্রয় হবে পরিবহন খরচ, কমবে সিস্টেম লস। যার পরিমান প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের শিলিগুড়ি থেকে ডিজেল আমদানির জন্য দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বসানো হচ্ছে ১৩০ কিলোমিটার লাইন। আর ৩০৬ কিলোমিটার লাইনে চট্টগ্রাম থেকে ডিজেল আসবে ঢাকায়।
১৬ কিলোমিটার পাইপলাইনে নায়নগঞ্জের পিতলগঞ্জ থেকে ঢাকার কুর্মিটোলার বিমান ডিপোতে আসবে জেট ফুয়েল। আর মহেশখালীতে নির্মাণাধীন সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং থেকে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত হবে ২২০ কিলোমিটারের ডাবল লাইন ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে বাড়বে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা। তবে পাইপলাইনের পাশাপাশি জ্বালানি পরিবহনের অন্যান্য ব্যবস্থাও সচল রাখার তাগিদ বিশ্লেষকদের।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























