বেক্সিমকো, স্কয়ার ও ইনসেপটা ফার্মার ওষুধ গোডাউন থেকে সরাসরি চলে যাবে বিদেশ। আবার বিদেশ থেকেও কাঁচামাল সরাসরি ঢুকবে গুদামে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গুদামেই পণ্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। আগামী মাস থেকে এই অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর- এ ই ও সুবিধা পাচ্ছে তিনটি কোম্পানি। শর্ত পূরণ করতে পারলে জুলাই থেকে যে কেউ এই সুবিধা নিতে পারবে।
নানা জটিলতায় আমদানি বা রপ্তানি পণ্য বন্দরে আটকে থাকে দিনের পর দিন। পণ্য খালাস করতে ব্যবসায়ীদের দিতে হয় অন্তত ২০ রকম কাগজ। এতে সময় লাগে বেশি, খরচ হয় বাড়তি। এসব সমস্যা দূর করতে এনবিআর চালু করছে এ ই ও ব্যবস্থা। এর ফলে পণ্য খালাস করতে ব্যবসায়ীদের শুল্ক কর্মকর্তার কাছে যেতে হবে না। দুই পক্ষের সব যোগাযোগ হবে ই-মেইলে। মাত্র পাঁচ ধরনের কাগজে খালাস হবে পণ্য। জাহাজ থেকে পণ্যের চালান সরাসরি চলে আসবে আমদানিকারকের গুদামে। অন্য দেশের সাথে চুক্তির পর রপ্তানিতেও পাওয়া যাবে একই সুবিধা।
রাজস্ব কর্মকর্তারা বলছেন, এ ই ও সনদ পেতে ব্যবসায়ীকে নিয়মিত কর দিতে হবে। ৫ বছরের ব্যবসার অভিজ্ঞতাসহ পূরণ করতে হবে সাত শর্ত। এ ই ও সুবিধাকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এতে ব্যবসা সহজ হবে, উন্নত হবে বিনিয়োগ পরিবেশ।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























