বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির তেল বিক্রির প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা বকেয়া পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে। গত সাত বছর ধরে বিমান সময়মত টাকা না দেয়ায় এ পরিস্থিতি হয়। পাওনা আদায়ের জন্য বিপিসি যেকোন সময় বিমানে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে-এমন শংকার কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশি-বিদেশি সব উড়োজাহাজে জ্বালানি তেল জেট এ-ওয়ান সরবরাহের একক দায়িত্ব বিপিসির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানির।
বিদেশি উড়োজাহাজ কোম্পানি পদ্মা থেকে নগদ দামে জ্বালানি কিনলেও রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিমান বরাবরই তেল কিনছিল বাকিতে। তাও আবার টাকা দিচ্ছিল না সময়মত। ফলে বিমানের পুঞ্জিভূত বকেয়ার পরিমান দিনে দিনে বাড়তে থাকে বিপিসির কাছে।

বিপিসি ও বিমান দুটোই রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান। তাই জ্বালানি তেলের বকেয়া নিয়ে এই দুই সংস্থার চলমান সংকট নিরসনে শিগগিরই একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিপিসি কর্মকর্তারা বলছেন, বিমানের কাছে পাওনা বাড়তে থাকে ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে। গত জুলাই শেষে বকেয়ার পরিমান দুই হাজার কোটি টাকায় পৌঁছায়, বিপিসি বিমানে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে কিস্তিতে বকেয়া শোধ আর নগদ দামে জ্বালানি কিনতে বিমানকে নির্দেশনা দেয়া হয়। তাও আবার মানছে না বিমান, আছে অভিযোগ। আর বিমান বলছে, বিশ্ববাজারের চেয়ে বেশি দামে জেট এ-ওয়ান তেল বিক্রি করছে বিপিসি। এটি সমন্বয় করতে সরকার চার বছর আগে নির্দেশনা দিলেও না মানার অভিযোগ বিপিসির বিরুদ্ধে। প্রতি মাসে গড়ে ৭০ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কেনে বিমান। কিন্তু বিপিসিকে টাকা দেয় তার অর্ধেকের মতো।

নিউজ ডেস্ক।।বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে