চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আয়ে ঘাটতি ১২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এসময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে তিন ভাগেরও কম। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ২০ ভাগ। এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নে।

জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিলো প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের হিসাবে, তিন মাসে ভ্যাট আদায়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় সাত ভাগ। কাস্টমস শুল্ক আদায় বেড়েছে প্রায় আট ভাগ। আর আয়করে প্রবৃদ্ধি ১১ ভাগ। অর্থনীতিবিদরা জানান, বেসরকারি বিনিয়োগ কমার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আদায়ে। এছাড়া রাজস্ব আদায় ও হিসাব পদ্ধতির পরিবর্তনের কারণে কমেছে প্রবৃদ্ধি।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি সামলাতে ব্যাংক খাত ও সঞ্চয়পত্র থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হবে সরকারকে। এবার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য প্রায় দুই লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা। যা গত অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩১ ভাগ বেশি।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে