ঝুঁকিপূর্ণ ও অপরাধ প্রবণ এলাকা যশোরের বেনাপোল সীমান্ত। ভারতের সাথে দূরত্ব কম হওয়ায় অস্ত্র, মাদক ও মানব পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে এ সীমান্তকে ব্যবহার করে চোরাকারবারীরা। তবে গত কিছুদিনে পাচার অনেক কমে এসেছে বলে দাবি র্যাব, বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসনের।
সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর মধ্যে পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে পরিচিত নাম বেনাপোল। যশোরের এ সীমান্তের একাধিক পথে পাচার হয় অস্ত্র, মাদক, স্বর্ণ এবং নারী-শিশুসহ বিভিন্ন পণ্য। কিছুদিন আগে শার্শার শিকারপুর সীমান্ত থেকে ৭৩কেজি সোনা এবং বেনাপোলের শিকড়ী থেকে ৬৩ লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ ভারতীয় ঔষধ, পোশাক এবং কসমেটিক্স পণ্য আটক করে বিজিবি। এছাড়া এক মাসের মধ্যে আটক করা হয়েছে ৯টি মাদকের চালান।
তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির দাবি, পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তারা। ফলে প্রতিনিয়ত আটক হচ্ছে চোরাই পণ্য। নারী-শিশু পাচার ও চোরাচালানের কারণে আতঙ্কে থাকেন বেনাপোলের স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই সীমান্তে সব ধরনের চোরাচালান বন্ধে বিজিবিকে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান তাদের।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























