অন্যান্য দেশের অর্থনীতির সাথে পুঁজিবাজার সমানতালে এগিয়ে গেলেও এক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজারের মূলধন জিডিপির আকারের ১৭ শতাংশেরও কম। এর জন্য ভাল কোম্পনি তালিকাভুক্ত না হওয়া, বিনিয়োগকারীদের আস্থা আর সঠিক নীতিমালার অভাবকে দায়ি করছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক বছরে দেশের অর্তনীতির সব সূচকের উন্নতির সঙ্গে জিডিপিও বাড়ছে। জিডিপির আকারের সঙ্গে বাজার মূলধনের তুলনা করে পুঁজিবাজারের অবস্থা বোঝা যায়। তবে অর্থনীতির আকার বাড়লেও এখনো আস্থার জায়গায় দাড়াতে পারেনি পুঁজিবাজার।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপির আকার ২২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। আর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান বাজার মূলধন তিন লাখ ৮৯ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। সে হিসাবে পুঁজিবাজারের মূলধনের সঙ্গে জিডিপির অনুপাত ১৬.৪৩ শতাংশ। ২০১০ সালের পর থেকে গত ছয় বছরে ধারাবাহিকভাবে কমেছে বাজার মূলধন ও জিডিপির অনুপাত।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের জিডিপি ও বাজার মূলধনের অনুপাত ৭৭ শতাংশের বেশি। সিঙ্গাপুর স্টক এক্সচেঞ্জের মূলধন ও জিডিপির অনুপাত ২১৯ শতাংশ। একইভাবে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, টোকিও ও মালয়েশিয়া স্টক এক্সচেঞ্জের অনেক নিচেই রয়েছে দেশের পুঁজিবাজার।

পুঁজিবাজারকে কার্যকর করতে নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করা এবং বহুজাতিক ও সরকারি কোম্পানিকে বাজারে আনার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মার্কেটে ভালো করতে না পারায় অনেক বিও হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে। তাই বাজার গতিশীল করতে জনগণকে বিনিয়োগমুখী করার জন্য বন্ড কিংবা অন্যান্য পণ্য আনার তাগিদ বাজার বিশ্লেষকদের।

অনলাইন নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে