মোংলা ও বুড়িমারী বন্দরে ঘুষ লেনদেন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে টিআইবি। সকালে রাজধানীতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ দুই বন্দর ব্যবহারকারীরা শতভাগ দুর্নীতির শিকার। অবৈধ লেনদেন হয় বছরে ৩০ কোটি টাকার বেশি।

দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মোংলা ও বুড়িমারী স্থলবন্দরের পণ্য আমদানি-রফতানির বিদ্যমান প্রক্রিয়ার উপর জরিপ চালায় টিআইবি। রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় বন্দর দুইটির দুর্নীতির চিত্র। বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কাস্টমসের সব পর্যায়ে শতভাগ দুর্নীতি রয়েছে বলে দাবী করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোংলা দিয়ে আমদানি পণ্যের প্রতি চালানে কাস্টমসে ঘুষ দিতে হয় ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া, প্রতিটি জাহাজ আগমন ও বহির্গমনে দিতে হয় ৮ হাজার ৩৫০ টাকা ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে ২১ হাজার টাকা।

আর বুড়িমারী স্থলবন্দর ও কাস্টমস হাউসে আমদানি পণ্যের প্রতিটি চালানে দিতে হয় ১ হাজার ৭৫০ টাকা পর্যন্ত। রপ্তানিতে দিতে হয় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের মতে, বন্দরে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে