নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত ১৫টি পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আজ শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজ কর্তৃপক্ষকে ৫টি বাস হস্থান্তর করা হয়েছে।
গত রোববার ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার ক্ষুব্ধ সহপাঠিরা নামে রাস্তায়। কয়েক দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের নানা সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায় তারা। সড়কে নৈরাজ্য বন্ধে ৯ দফা দাবিও জানায় শিক্ষার্থীরা।পরিবহন ব্যবস্থার অনিয়ম বন্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
নিহতের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে সঞ্চয়পত্র দান। জাবালে নূরের রোড পারমিট বাতিল করে মালিক ও গাড়ির চালকে ৭ দিনের রিমান্ড দেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে সাক্ষাত, সমবেদনা প্রকাশ করে ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী। দুর্ঘটানার মামলায় আরও চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন সকল পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল করা হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন ভুয়া ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। মহাসড়কগুলোতে চালকদের জন্য নির্মাণ করা হবে বিশ্রামাগার ।
সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তঃ
১.শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলকে ৫টি বাস বরাদ্দ।
২. স্কুল সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস বানানো।
৩.স্কুলের পাশের রাস্তায় স্পীড ব্রেকার নির্মাণ।
৪. স্কুলে সামনে বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ।
৫. নিহতের পরিবারকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ।
৬. নতুন সড়ক দুর্ঘটনা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা।
৭. দ্রুত মামলা শেষ করার বিধান রেখে আইন সংশোধন।
৮.ঘাতক বাসের নিবন্ধন ও ফিটনেসবিহীন সকল গাড়ির রুট পারমিট বাতিলের উদ্যোগ।
৯. লাইসেন্সবিহীন ভুয়া ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ।
১০. নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারে মন্ত্রীর সাক্ষাত ও ক্ষমা প্রার্থনা।
১১.জাবালে নূর পরিবহনের মালিকের ৭ দিনের রিমান্ড।
১২. গাড়ি চালক মাসুমের ৭ দিনের রিমান্ড।
১৩. মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৩ জনকে কারাগারে প্রেরণ।
১৪. সোমবার এই তিন জনের রিমান্ড শুনানির ব্যবস্থা।
১৫. মহাসড়কে চালকদের জন্য বিশ্রামাগার তৈরির উদ্যোগ।
অনলাইন নিউজ

























