চুড়ান্ত হয়নি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহের দিন, ৩মাসে ৪ বার তারিখ বদল হয়েছে। দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে কারিগরি ত্রুটি আর দুর্যোগপুর্ণ আবহাওয়াকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে সরকার। তবে দশ-বারো দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের একটা সম্ভাবনা কথা বলছে, তদারকি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল।
ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে সাগরের নিচ দিয়ে ৭ কিলোমিটার লম্বা পাইপ যুক্ত আছে জিরো পয়েন্টে।চুক্তি অনুযায়ী, এই পাইপ লাইন দিয়ে গ্যাস সংযোগ দেবে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। পাইপ লাইনে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে তিন মাসেও এই গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। সমস্যাটি কোথায়? তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম।

আরপিজিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম জানান, সাগরে নিচে বা উপরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেখানে ডুবুরিরা কাজ করতে পারছে না। সাগরের নিচের পাইপ লাইন জাহাজের সঙ্গে কানেকশন দিতে হবে। এখন এই কানেকশনের কিছু কাজ আছে সেগুলো শেষ করতে হবে। এরপরই গাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি। সরকারী প্রতিষ্ঠান জিটিসিএল এর তত্ত্বাবধানে জিরো পয়েন্ট থেকে ৯০ কিলোমিটার পাইপ লাইনের কাজ ঠিকমতই শেষ হয়েছে। তবে শেষ হয়নি কর্ণফুলি নদীর নীচ দিয়ে ১ দশমিক ২ কিলোমিটার পাইপ লাইনের কাজ। এই পাইপ দিয়েই আমদানির গ্যাস ঢাকায় আসার কথা।এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানান, কর্ণফুলীর নিচের লাইনটির লোকেশন চেঞ্জ করতে হচ্ছে। কাজ এখনো শেষ না হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে সতর্ক করা হয়েছে এবং যেভাবেই হোক কাজ শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
নতুন করে আবার কোন কোম্পানিকে যুক্ত করা বা নতুন করে ঋণ নেয়া হলে কাজ আরও ছয় মাস পিছিয়ে যাবে বলে জানান নসরুল হামিদ বিপু। তবে এই মাসেই কাজ শেষ হওয়ার আশা প্রকাশ করলেন মন্ত্রী। দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে। কাতার থেকে এক্সিলারেট এনার্জির জাহাজ এলএনজি নিয়ে সাগরে নোঙ্গর করে আছে গেল ২৪শে এপ্রিল থেকে।
সাদমান রহমান সৌমিক
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ




























