সাম্প্রতিক তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটের হিসেবে জামানত হারিয়েছেন বামপন্থী প্রার্থীরা। ফলে, আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে বামরা যে জোট করেছে, তা কতোটুকু প্রভাব রাখতে পারবে সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষক শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার নিয়ে সোচ্চার বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে চারভাগের একভাগ ভোটার শ্রমিক। কিন্তু মেয়র পদে সিপিবি’র প্রার্থী ২৬শে জুলাইর নির্বাচনে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৯৭৩টি। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পাটকল, চিনিকল ও বন্দর মিলিয়ে শ্রমিকের সংখ্যা খুব কম নয়। কিন্তু জুনের নির্বাচনে ৩ লাখ ৭১টি বৈধ ভোটের মধ্যে সিপিবির মেয়র প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৫৩৪টি। আর গত ডিসেম্বরে রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৭’শ ২৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে বাসদের মেয়র প্রার্থী পেয়েছেন ১ হাজার ২৬০ ভোট। এসব নির্বাচনে বামপর্ন্থী প্রার্থীদের এমন ভরাডুবির পেছনে দলগুলোর অভ্যন্তরীন সংকটকে দায়ী করলেন সিপিবির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মঞ্জুরুল আহসান খান।

আর বামদের কম ভোট পাওয়ার কারণ হিসেবে বিদ্যমান নির্বাচনী ব্যবস্থাকে দায়ী মনে করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের মতে সময়পোযোগী কর্মসূচি আনতে পারছেনা বলেই বামপন্থী দলগুলো দিনদিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। আসছে নির্বাচনে সিপিবি-বাসদ জোট বামমোর্চাসহ একটি বৃহত্তর জোট গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে