মোঃ হামিদুর রহমান লিমনঃ গত ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ করার সময় এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগে বিদ্রোহী হয়ে ইউপি নির্বাচন করায় বহিস্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানাসহ ১২৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আসামী করা হয়েছে বিদ্রোহী হয়ে ইউপি নির্বাচন করায় বহিস্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা খলেয়া ইউপির চেয়ারম্যান মোত্তালেবুল হক ও বিদ্রোহী হয়ে ইউপি নির্বাচন করায় বহিস্কৃত আওয়ামীলীগ নেতা মমিনপুর ইউপির চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মিনহাজুল ইসলামকেও। এ খবর এখন টক অব দ্যা সদরে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ করার সময় রংপুর মহানগরীর মিনি সুপার মার্কেটের সামনে ছাত্র-জনতার ওপর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র এবং লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা মাহমুদুল হাসান মুন্নাকে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার বিকালে রংপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহত মাহমুদুল হাসান মুন্নার পিতা আব্দুল মজিদ বাদি হয়ে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সাবেক স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, লালমনিরহাটের সাবেক এমপি মোতাহার হোসেন, মতিয়ার রহমান ও সফুরা খাতুন, রংপুর-২ আসনের সাবেক ডিউক চৌধুরী, বদরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র টুটুল চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী সুইট, কালীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রাকিবুজ্জামান আহমেদ, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহেল রানা, খলেয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোত্তালেবুল হক, মমিনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিনহাজুল হকসহ ১২৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন।
রংপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ বাবু মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি থানাকে রেকর্ড করার আদেশ দেন।
রংপুর ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ














