মোঃ শাহজাহান ফকির,নান্দাইল সংবাদদাতা।। এ কেমন শত্রুতা ? মানুষ কতটুকু নির্দয় ও নিষ্ঠুর হলে গাছের সাথে এমন শত্রুতা করতে পারে ? মানুষের সাথে না পেরে তাঁর গাছের সাথে শত্রুতার জিদ মেটালো। নিরীহ কৃষকের কলাবাগানের ২১৮টি কলাগাছ কুপিয়ে তছনছ করেছে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা। এতে করে কৃষকের অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কৃষক অজ্ঞাত কারনে কোন প্রতিবাদ বা জনপ্রতিনিধি কিংবা পুলিশ প্রশাসনকেও বিষয়টি অবগত না করে নীরবতা পালন করছেন।
এমন ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের বনুড়া কুড়েরপাড় গ্রামের নিরীহ কৃষক শহীদ মিয়ার কলাবাগানে। তবে কৃষক শহীদ মিয়া জানান, কাহারও সাথে তাঁর কোন পূর্ব শত্রুতা ছিলনা, এমনকি বর্তমানেও তাঁর কোন শত্রুতা নেই। কিন্তু কেনইবা তাঁর সাথে এমনটি হয়েছে, তা তিনি জানেন না। জানাগেছে, গাংগাইল ইউনিয়নের বনুড়া কুড়েরপাড় এলাকায় ৬০ শতাংশ জমিতে কৃষক শহীদ মিয়া ধানের পরিবর্তে কলাবাগান তৈরী করেছেন। তিনি দুই বৎসর যাবত সেখানে কলা চাষ করে সবে মাত্র লাভের মুখ দেখছেন। বৃহস্পতিবার সরজমিন গিয়ে দেখাযায়, কলাবাগানের পাশে পড়ে রয়েছে সারিবদ্ধ শতশত অপরিপক্ক কলার ছড়ি। লাল কাপড়ে বাধানোর মতো কলার তোড়ও রয়েছে কলার ছড়িতে ঝুলানো। কলাগুলো এখনও অপরিপক্ক হওয়া তা কোন কাজে আসছে না। সেগুলো বিক্রিও করা যাবে না বা অন্য কোন কাজেও লাগানো যাচ্ছেনা। এছাড়া কলাবাগানে ভিতর ঢুকে দেখা যায় যে, এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে কলাগাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। রাতের আধারে একটি সংঘবদ্ধ দল দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কলাবাগানের ২১৮টি কলাগাছ কেটে ফেলেছে। কিন্তু এমন শত্রুতা কে বা কাহারা করেছে, তা কেউই জানেনা।
এদিকে কৃষক শহীদ মিয়া কলাগাছ কাটার বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা পুলিশ প্রশাসনকে কাউকে অবহিত না করে নীরবতা পালন করছেন। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমি লোকমুখে শুনেছি, ওই কৃষক আমাকে কিছুই জানায় নি। তবে বিষয়টি কথিয়ে দেখা প্রয়োজন।














