মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক)ভোট গ্রহণ। আর মাত্র একদিন পরেই নির্বাচন, শেষ মুহূর্তে সর্বত্রই চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। কে হতে যাচ্ছেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের মেয়র তা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। প্রচারণার শেষ দিনে গতকাল রোববার ব্যস্ত সময় পার করেছেন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
মনোনয়ন নিয়ে দলে জুনিয়র ও সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং আছে তা নিরসন করে নেতাকর্মীদের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনা গেলে সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভালো করা সম্ভব হবে। অবশ্য দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গাজীপুরের আওয়ামী লীগ সব ভেদাভেদ ভুলে সম্মিলিতভাবে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করছে। তবে এবার বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীর জন্য ভোটকেন্দ্রে বিএনপির ভোটারদের উপস্থিতি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। অন্য দিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জন্য দলের স্থানীয় সিনিয়র নেতাদের সাথে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটের বৈতরণী পার হওয়া মূল চ্যালেঞ্জ।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ইতোমধ্যে পুরো নির্বাচনী এলাকা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিপুলসংখ্যক পুলিশ সাদা পোশাকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব কুমার দেবনাথ জানান, ২৯ প্লাটুন বিজিবির মধ্যে কোনাবাড়ি ও কাশিমপুর এলাকায় ৭ প্লাটুন, টঙ্গী এলাকায় ১০ প্লাটুন এবং জয়দেবপুর, বাসন, চান্দনা চৌরাস্তা ও কাউলতিয়া এলাকায় ১২ প্লাটুন দায়িত্ব পালন করবে।
এসএমএসের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রের তথ্য: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় ভোট গ্রহণ পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে জানতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। এবার এসএমএস ভিত্তিক ভোট কেন্দ্র মনিটরিং ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এক্ষেত্রে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে (শর্ট কোডে-১০৫) এসএমএসের মাধ্যমে ১৯ বিষয়ে গোপনে তথ্য নেবে নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে বিশেষ মুহূর্তে চালু থাকবে বিশেষ এসএমএসের ব্যবস্থাও।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ

























