শাহণেওয়াজ শাওন, বগুড়া সংবাদদাতা।। বগুড়ায় হর্টিকালচার সেন্টার বনানীতে দুইদিন ব্যাপি মাশরুম চাষে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় দলভুক্ত ৩০জন চাষী প্রশিক্ষণের সমাপনি ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বগুড়ায় হর্টিকালচার সেন্টার বনানী বগুড়ার আয়োজনে দুইদিন ব্যাপি মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় দলভুক্ত চাষী প্রশিক্ষণের সমাপনি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মাশরুমের গুরুত্ব মাশরুম উৎপাদন কৌশল,সচেতনতা বৃদ্ধির অংশগ্রহণকারী নির্বাচিত ৩০জন দলভুক্ত চাষীকে নিয়ে এ আয়োজন করা হয়।
কৃষি-সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,বগুড়া আঞ্চল,বগুড়ার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ সরকার শফি উদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,কৃষিবিদ জানাব খায়রুল আলম,পরিচালক, প্রশিক্ষন উইং কৃষি-সমপ্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী ঢাকা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড.আখতার জাহান কাঁকন। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাবা,ছাহেরা বানু,উপ-পরিচালক, হর্টিকালচার সেন্টার,বনানী, বগুড়া এবং উপ-পরিচালক, সোহেল মোহাম্মদ শামস উদ্দিন ফিরোজ, অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়, বনানী, বগুড়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন মোঃ মানিক আলম, উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তা, হর্টিকালচার সেন্টার, বগুড়া প্রধান অতিথি তার ব্যক্তবে বলেন,মাশরুম এমন একটি পূণ্য যা মানব দেহের বিভিন্ন উপকারিতা হিসাবে কাজ করে থাকে।আমাদের সকলকে মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মাশরুম চাষে কোন রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয় না,যার কারনে মানব দেহের বিবিন্ন রোগের ঔষধি গুনে কাজ করে থাকে এ মাশরুম। আমরা চেষ্টা করছি খাবার তালিকায় মাশরুম রাখার। মাশরুম বতর্মানে সুপার ফুট খাবার হিসাবে দ্রুত পরিচিতি লাভ করছে।মাশরুম বিভিন্ন তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া যায়।
দলভুক্ত চাষী প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে আরো বলেন,আপনারা যারা আজ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে,আপনারা এখন বসে না থেকে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে মাশরুম চাষ শুরু করুণ।মাশরুম চাষে আমাদের কর্মকর্তা আপনাদের পাশ্বে সব সময় আছে । তিনি আরো বলেন,মাশরুম উৎপাদন,বাজার জাতকরণ এর ক্ষেতে আরো বেশি বেশি সচেতন থাকতে আপনাদের।আগামীতে স্মার্ট কৃষিতে বাংলাদেশ গড়ায় আপনারাই মূল ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। মাশরুম প্রশিক্ষনে ৩০জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ২০জন পুরুষ, ১০জন মহিলা দলভুক্ত চাষী প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন করেন। চাষী প্রশিক্ষনের উদ্দ্যেক্তা নাজিম উদ্দিন বলেন আমি নিজে উদ্দ্যেক্তা হয়েছি এবং আমার এলাকায় বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে মাশরুম চাষে উদ্দ্যেক্তা তৈরি করার চেষ্ট করে যাচ্ছে।
মাশরুম চাষ প্রশিক্ষনের নারী কৃষি উদ্দ্যেক্তা তাছলিমা নাজমী লিমা বলেন,আমি মাটি নিয়ে কাজ শুরু করছি অনেক আগে থেকেই।ভারমি কম্পোট চাষের পাশ্বাপাশি মাশরুম চাষ শুরু করেছি। আগামীতে মাশরুম চাষে আমার বড় ধরণের খামার করার পরিকল্পনা রয়েছে। মাশরুম চাষের প্রশিক্ষনে অনেক কিছু জানতে পারলাম। তিনি বলেন,এই প্রশিক্ষন নেওয়ার ফলে দ্রুতই মাশরুশ চাষে সফলতা পাব বলে আশা করি। দুই দিন ব্যাপি মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় দলভুক্ত চাষী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাশরুমের গুরুত্ব,উৎপাদন কৌশল,সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে অংশগ্রহণকারী নির্বাচিত ৩০জন দলভুক্ত চাষীদের মাঝে ১৪ পিচ স্পন প্যাকেট, সম্মানি উদ্বদ্ধকরণে বিতন করা হয়।



























