আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের তুলনায় অভ্যন্তরিণে লিটার প্রতি ২৯ টাকা বেশি দামে জেট ফুয়েল কিনতে হচ্ছে দেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে। আর এ কারণে বেড়ে যাচ্ছে ফ্লাইট পরিচালনা ব্যয়। অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। দেশি এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে দেশের এভিয়েশন খাত আর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, শীগগিরই জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করবে সরকার।

দেশি এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, ফ্লাইট পরিচালনার ৪০ ভাগই জ্বালানি ব্যয়। জ্বালানির দামে বৈষম্যের কারণে অভ্যন্তরিণ রুটগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। জেট ফুয়েলের মূল্য বৈষম্যের কারণে খরচ বাড়ছে পাইলট প্রশিক্ষণেও। একাডেমিগুলো বলছে, খরচের জোগান দিতে না পারায় অনেকেরই প্রশিক্ষণ মেয়াদ দীর্ঘ হচ্ছে।

পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েল পাওয়া যায় ৪৯ টাকায়। আর কুয়ালালামপুরে ৪৭ টাকায়। মধ্যপ্রাচ্যে এর মূল্য আরো কম। অথচ ঢাকায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৬৩ টাকা। অভ্যন্তরিণ ফ্লাইটে দাম আরো বেশি, প্রায় ৯২ টাকা। প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময়ে দেশে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে ১১টি বেসরকারি এয়ারলাইন্স। নানা কারণে অধিকাংশই ব্যবসা গুটিয়ে নেয়। বর্তমানে টিকে আছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমানসহ চারটি এয়ারলাইন্স।

রুমানা রহমান,
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে