রোজায় ইফতার ও সেহেরীতে গ্যাস না পেয়ে বিকল্প জ্বালানীতে খাবার তৈরিতে বাড়তি টাকা গুণছেন রাজধানীবাসী। জনদূর্ভোগের কথা তিতাসের জানা থাকলেও সহসাই মিলছে না কোনো সমাধান। আবাসিক সংযোগে তীব্র গ্যাস সংকটে নাকাল হয়ে পড়েছে নাগরিক জীবন।
রোজায় যখন ইফতার সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করার কথা গৃহিনীদের তখন অনেকটা অলস সময় কাটছে তাদের। ঘড়ির কাটায় আযানের সময় হয়ে এলেও গ্যাসের চুলায় নেই আগুনের উত্তাপ। গ্যাস সংকটের সমাধান যাদের কাছে সেই তিতাসের অফিস থেকে অদুরে বাংলামোটর, কাঠালবাগান এলাকাতেও গ্যাসের সমস্যা দীর্ঘ দিনের। রমজানের শুরু থেকেই এলাকায় গ্যাসের সংকট আরও বেড়েছে।
রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলো ছাড়া গ্যাস সরবরাহ নিয়ে ভোগান্তিতে আছে প্রায় পুরো নগরী। নিরুপায় হয়ে কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনে সারছেন ইফতার ও সেহেরী। কেউ আবার গ্যাসের চুলায় কাগজ গুজে চেষ্টা করছেন রান্না চালিয়ে নেয়ার। নিয়মিত বিল পরিশোধের পরও চাহিদা মত গ্যাস না পাওয়ায় কথা নোটিশ দিয়ে গ্রাহকদের জানানোও হয় না।
আবাসিক খাতে গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার করলেও, সহসাই তিতাস সমাধান দিতে পারবে না বলে জানান তিতাসের পরিচালক (অপারেশন) এইচ এম আলী আশরাফ। রাজধানীতে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় দুই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। এ চাহিদার বিপরীতে তিতাসের যোগান ১ হাজার ৭শ’ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে ৩শ’ মিলিয়ন ঘনফুটের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।
রিয়ানা হাবিবা
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ




























