
জহির সিকদার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি।। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারতগামী যাত্রীদের ঢল নেমেছে। ঈদেন ছুটিতে এই চেকপোস্ট দিয়ে প্রায় ৫’হাজার যাত্রী পারাপার হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৭’শে এপ্রিল) দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮’শতাধিক যাত্রী পারাপার করেছেন। শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাধিক যাত্রী পারাপার করেছে এ বন্দর দিয়ে। শনিবারে ও।ছিল যাত্রীদের ভীড়। তবে পারাপরের সংখ্যা জানা যায়নী। ঈদের পর দিন থেকেই প্রতিদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের লোকজন এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাচ্ছেন। তবে ভারতে যাওয়া বেশিরভাগ যাত্রীই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, দর্শনীয় স্থান দেখা, চিকিৎসা সেবা নেয়া এবং কেনাকাটাসহ নানা কারণে সেখানে যাচ্ছেন। এ’ছাড়া ইমিগ্রেশন ভবন ও ভবনের বাইরে অপেক্ষমান ছিলেন আরও প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। আর যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের।
ভারমগামী কয়েকজন যাত্রী জানান, ঈদের ছুটিতে ভারতের দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাচ্ছেন তারা। তবে আখাউড়া ইমিগ্রেশন ভবনটি ছোট এবং জরাজীর্ণ হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ বন্দরে অবকাঠামোর কিছু দুর্বলতা আছে। অবকাঠামো আরও উন্নত করা উচিত। এপার এবং ওপারের ইমিগ্রেশনে অনেক তফাৎ। এখানে অবকাঠামো, প্রফেশনালিজম, চেকিং এগুলোতে আরও উন্নত করতে হবে। প্রতিদিন হাজারের বেশি লোক এ চেক পোষ্ট দিয়ে যাতায়াত করে। এই সংখ্যাটা বাড়তে থাকলে এ বন্দরটি লাভজনক বন্দর হতে পারে। যাত্রী সংখ্যা বেশি হলে এখানে বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নাই। ওয়াশ রুম নাই। বৃষ্টি হলে দাঁড়ানোর মত পর্যন্ত জায়গা নাই। এসব সমাধানে দ্রুত এসব সমস্যা দূর করতে হবে। যাত্রীদের দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা। তবে বেশিরভাগ লোকজনই সকালে গেলে পরদিন কাজ শেষে করে দেশে ফিরছেন। আবার কেউ কেউ দুই-তিনদিন বা বেশি সময় থেকে আসছেন। সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় লোকজন স্বল্প খরচে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নানা কাজ করতে যাচ্ছেন।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, এ স্থলবন্দর দিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন যে পরিমাণ লোকজন যাওয়া আসা করতো ঈদের পর দিন থেকে তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭-৮শ লোক যাতায়াত করলেও গত ৩ দিনে প্রায় ৫ হাজার লোক পারাপার হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, সব শ্রেণি মানুষদের জন্য ভিসা সহজ হওয়ার কারণে লোকজন চিকিৎসা সেবা, আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, কেনাকাটসহ অন্যান্য কাজ করতে ভারতে যাচ্ছেন। কান্দিপাড়া এলাকার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার এক নিকট আত্মীয়ের মেয়ের বিবাহ চলতি সপ্তাহে। তাই আমার স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে যাচ্ছি। এই সুযোগে চিকিৎসা সেবাও নেবো।
মাধবপুরের অজিৎ পাল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার স্ত্রীর শরীরটা ভাল যাচ্ছে না। তাই ভারতের আগরতলায় ডাক্তার দেখানোর জন্য আমরা স্বামী-স্ত্রী ভারতে যাচ্ছি। পাশাপাশি কিছু কেনাকাটা করবো। ঢাকা থেকে আসা মো. ফারুক মিয়া ও রিপন মিয়া বলেন, অনেক দিন ধরেই ভাবছি ভারতে গিয়ে দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখবো। কিন্তু ভিসাসহ নানা কারণে যাওয়া হচ্ছে না। তবে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় ভারতের দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাচ্ছি।
ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং সহজ হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতগামী যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। গত তিনদিনে প্রায় ৫ হাজার যাত্রী পারাপার হয়েছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। তবে বেশিরভাগ লোকজনই সকালে গেলে পরদিন কাজ শেষে করে দেশে ফিরছেন। আবার কেউ কেউ দুই-তিনদিন বা বেশি সময় থেকে আসছেন। সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় লোকজন স্বল্প খরচে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নানা কাজ করতে যাচ্ছেন।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, এ স্থলবন্দর দিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন যে পরিমাণ লোকজন যাওয়া আসা করতো ঈদের পর দিন থেকে তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭-৮শ লোক যাতায়াত করলেও গত ৬ দিনে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার লোক পারাপার হয়েছে। কান্দিপাড়া এলাকার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার এক নিকট আত্মীয়ের মেয়ের বিবাহ চলতি সপ্তাহে। তাই আমার স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে যাচ্ছি। এই সুযোগে চিকিৎসা সেবাও নেবো।
মাধবপুরের অজিৎ পাল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার স্ত্রীর শরীরটা ভাল যাচ্ছে না। তাই ভারতের আগরতলায় ডাক্তার দেখানোর জন্য আমরা স্বামী-স্ত্রী ভারতে যাচ্ছি। পাশাপাশি কিছু কেনাকাটা করবো। ঢাকা থেকে আসা মো. ফারুক মিয়া ও রিপন মিয়া বলেন, অনেক দিন ধরেই ভাবছি ভারতে গিয়ে দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখবো। কিন্তু ভিসাসহ নানা কারণে যাওয়া হচ্ছে না। তবে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় ভারতের দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাচ্ছি।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, ভিসা প্রসেসিং সহজ হওয়ায় এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাত্রী দিনদিন বাড়ছে। তবে অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি যাত্রী ভারতে যাতায়াত করছে। আমাদের সাধ্যমতো যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, ভিসা প্রসেসিং সহজ হওয়ায় এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাত্রী দিনদিন বাড়ছে। তবে অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি যাত্রী ভারতে যাতায়াত করছে। আমাদের সাধ্যমতো যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ডেস্ক। বিডি টাইমস নিউজ





























