পদ প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে তারপর দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, এবার আর কায়েমী গোষ্ঠীর ইচ্ছেমতো কমিটি হচ্ছে না।
ছাত্রলীগের বিগত চার কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে আওয়ামী লাগের মধ্যেই আছে হতাশা। এবার সেই হতাশা ঘুচিয়ে সৎ ও আদর্শবানদের নেতৃত্বে আনতে চাইছে হাইকমান্ড। এরই প্রেক্ষাপটে ঊনত্রিশতম কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়নি। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ঠিক করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজেই। বিভিন্ন স্তরে যাচাই-বাছাই শেষে এরইমধ্যে তৈরি হয়েছে পদপ্রত্যাশীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা। তাতে নাম আছে আদিত্য নন্দী, রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, মাজহার শামীম, সাদ্দাম হোসাইন, রকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য, চৈতালী হালদার, বরিকুল ইসলাম বাধন, ইনান শেখসহ বেশ কয়েকজনের নাম।
আওয়ামী লাগের নেতারা বলছেন, শিবির-ছাত্রদলের অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই কমিটি ঘোষণা হতে দেরি হচ্ছে। তবে অপেক্ষা ফুরোবে শিগগিরই। এদিকে, ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে একটি গোষ্ঠী অপতৎপরতা চালালেও তাদের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান।
শেখ হাসিনার পছন্দের নেতৃত্ব ছাত্রলীগকে আবারও আদর্শিক সংগঠনে পরিণত করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ

























