সাবিহার সুখের সংসারে তিন ছেলে মেয়ে। বড়জন ইমরুল, এরপর বদরুল ও সুমি। বদরুল আর সুমি বড় ভাই বলতে পাগল। তাদের সব আব্দার বড় ভাই ইমরুলের কাছে। একসময় ইমরুল বিদেশ চলে যায়। বিদেশ থেকেও সংসারের সব ভার ইমরুল বহন করতে থাকে। পাঁচ বছর কেটে যাওয়ার পর ইমরুলের অনুরোধই বদরুলের বিয়ে হয় আশার সাথে। বদরুলের সাথে আশার আগে থেকেই প্রেম ছিলো। সংসারের টুকিটাকি জিনিস সবই ইমরুলের পরামর্শ আর মতামতেই করা হচ্ছে। টাকা পাঠায় জমি রেজিস্ট্রি করতে, সেটাও ইমরুলের নামেই রেজিস্ট্র করে বদরুল। একটা সময় আশার বড়বোন বিপাশা আসে বেড়াতে। বদরুলের নামে কোন সম্পত্তি নেই শুনে সে তার বোন আশাকে নানা কুবুদ্ধি দিতে থাকে। এর মধ্যে ইমরুল বাড়ি করার জন্য চল্লিশ লক্ষ টাকা পাঠায়। আশা এবার পরামর্শ দেয় এই টাকা নিজেদের করে নিতে। বদরুল রাজী হতে চায় না। একটা সময় আশা নানাভাবে বদরুলকে পটাতে থাকে। ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর ছিনতাই হয় টাকা। আসলে কি ছিনতাই এর ঘটনা সাজানো ছিলো?নাকি সত্যিই টাকা ছিনতাই হয়ে গেছে?গল্পের বাকী কাহিনী জানা যাবে ঢাকার কাছেই উলুখোলাতে সদ্য শুটিং হওয়া এবং ১৮ মে ২০১৮ইং তারিখ দুপুর ৩.০৫ মিনিটে চ্যানেল আই এ প্রচারিতব্য গাজী মামুনের রচনা ও সহিদ উন নবীর গল্প ভাবনা ও পরিচালনায় টেলিফিল্ম “লোভ ও দ্বিধার গল্প” এর মাধ্যমে। এই টেলিফিল্মে ইমরুল চরিত্রে মারজুক রাসেল, বদরুল চরিত্রে এফ এস নাঈম, আশা চরিত্রে সাবিনা রিমা. সাবিহা চরিত্রে শিল্পী সরকার অপু, সুমি চরিত্রে রিপা রঞ্জনা, বিপাশা চরিত্রে সান্তনা সাদিকা, এছাড়াও পনির সিকদারসহ আরো অনেকেই অভিনয় করেছেন।

টেলিফিল্ম “লোভ ও দ্বিধার গল্প” নিয়ে এফ এস নাঈম ও সাবিনা রিমার সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে নাঈম জানান, রিমা বেশ ভালো কাজ করেছে। আমি চেষ্টা করেছি আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। এই টেলিফিল্মে আমার সাথে মারজুক রাসেল ও শিল্পী সরকার অপু দুজনেই অনেক গুনী শিল্পী অভিনয় করেছেন। গল্পটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই গল্প, তাই আমি আশা করছি দর্শকদের টেলিফিল্মটি ভালো লাগবে।

সাবিনা রিমা বলেন, নাঈম ভাই এর সাথে প্রথম জুটি বেঁধে অভিনয় করলাম এটা আমার সৌভাগ্য। গল্পের কাহিনীটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছিলো, যেখানে লোভ ও আছে আবার ভালোবাসা থেকে দ্বিধাও আছে। আমি অনেকটা হেসে খেলেই কাজটা করছিলাম, কিন্তু নাঈম ভাইকে দেখে বুঝতে পারলাম অনেক কিছু শেখার আছে এখনো। উনি প্রতিটা দৃশ্য ধারণের আগেই চরিত্রে ঢুকে যায়। মেকআপ রুমে বসেই তিনি সেই চরিত্রে থাকেন। এমনকি পরবর্তী দৃশ্যে আমার সাথে তার রাগারাগির দৃশ্য থাকলে সেখানেই সে আমার সাথে রাগারাগি করা শুরু করে দেন। আমিতো অবাক তিনি এমন করছেন কেন?পরে বুঝলাম তিনি পরবর্তী দৃশ্যের জন্য নিজেকে তৈরী করছেন। খুবই সিরিয়াস মানুষ। আমি খুব টেনশানে আছি আমি কেমন করলাম। তবে আশা করি দর্মকদের ভালো লাগবে। আর আমি চেষ্টা করবো পরবর্তী কাজগুলোতে এখান থেকে সিনিয়রদের টিপস্্গুলো কাজে লাগাতে।
হুমায়রা তাবাসসুম, বিনোদন প্রতিবেদক
বিডি টাইমস্ নিউজ














