ভোলায় সূর্যমুখীর ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালী সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। চলতি মৌসুমে সূর্যমুখীর আবাদ ভালো হয়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষকরা। পোকা মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় এবার দ্বিগুন লাভের আশা কৃষকদের।

সূর্যমুখী ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে উপকূলের জমি। খরচ কম হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে ভোলার চাষিদের। অনেক আবাদি জমিতে এখন শোভা পাচ্ছে নয়নাভিরাম হলুদ বর্ণের সূর্যমুখী ফুল। বছরের শুরুতে আকস্মিক বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হওয়ার পরেও থেমে নেই কৃষকরা। জানুয়ারিতে জমিতে সূর্যমুখী ফুলের বীজ রোপন করে। এরপর সাড়ে তিন মাসের মাথায় ফুল আসতে শুরু করে প্রতিটি গাছে। এখন চলছে কাটার প্রস্তুতি। সরিষা ও তিলের চেয়ে সূর্যমুখীতে তেল বেশী পাওয়া যায়। মনপ্রতি তেল পাওয়া যায় ১৮ থেকে ২০ লিটার। বাজার দরও তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায় বলে জানান কৃষকরা।

সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের আগ্রহী করতে বীজ এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো এগিয়ে আসলে ভোলায় সূর্যমুখী চাষ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক প্রশান্ত কুমার সাহা। চলতি মৌসুমে জেলার পাঁচ উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে।

রুমানা রহমান
ন্যাশনাল ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে