নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৮৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮.৯১’শতাংশ। সোমবার(৫’ই ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮’দশমিক ৮৫’শতাংশ। এর আগের মাস অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮’দশমিক ৯১’শতাংশ। সে হিসেবে এই হার সামান্য একটু কমেছে, শূন্য দশমিক ৬’শতাংশ। মূল্যস্ফীতি হিসাবকে সরকার দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। খাদ্য এবং খাদ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্য। নভেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে তা বেড়েছে। এ’সময় খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮’দশমিক ১৪’শতাংশ এবং অক্টোবরে ছিল ৮’দশমিক ৫০’শতাংশ। অপর দিকে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি অক্টোবরে ছিল ৯’দশমিক ৫৮’শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯’দশমিক ৯৮’শতাংশে।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী তেল গ্যাসের দাম কমে এসেছে, আমাদের দেশেও অবধারিতভাবে কমবে। তাই সামনের দিনগুলোতে আমাদের মূল্যস্ফীতি আরও কমে আসবে। শুধু তাই নয় চলমান ইউক্রেন-রাশিয়ার এ যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন যেমন আছে তেমনটি স্থির থাকলেও চলতি অর্থবছর শেষে আমাদের কাঙ্ক্ষিত মাত্রা, প্রায় ৭’শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে বলে আশা করছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে