সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের চার দিনের মাথায় এ বিষয়ে সংসদে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, কোটা সংস্কার হলে বারবার এ নিয়ে আন্দোলন হবে তাই এ পদ্ধতি থাকারই কোনো প্রয়োজন নেই। তবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের বিশেষ ব্যবস্থায় চাকরি দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
অধিবেশনে সরকারী দলের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংসদ নেতা। কোটার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী, প্রতিবন্ধীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতেই ১৯৭২ সালে এ পদ্ধতি চালু করা হয়। গত কয়েক বছরে কোটা পূরণ না হলে মেধা তালিকা থেকেই সরকারি চাকিরিতে নিয়োগ হচ্ছিল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, গুজব ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনা করেই কোটা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত জানান প্রধানমন্ত্রী। আন্দোলনে সহিংসতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান সংসদ নেতা। বলেন, হামলায় কোনো শিক্ষার্থী জড়িত থাকতে পারে না। নাশকতায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান তিনি। আন্দোলনে সংহতি জানানো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমালোচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।
নিউজ ডেস্ক । বিডি টাইম্স নিউজ

























