রিফাত ইসলাম, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি।। শুভ্রতা নিয়ে শরত এসেছে ধরায় আর শরতের শুরুতে কাশফুলে ছেয়ে গেছে গোপালগঞ্জের হাস্যোজ্জ্বল চঞ্চল ক্যাম্পাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)।
শরৎ মানেই শুভ্রতা, উৎফুল্লতা, শরৎকালের নাম শুনলেই মনের গভীরে ভেসে ওঠে স্বচ্ছ নীল আকাশের সাদা মেঘ। মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে কাশফুলের সমারোহ। নীল আকাশে সাদা মেঘের সঙ্গে শরতের সাদা কাশফুল যেন মনের আঙ্গিনায় নতুন প্রেমের আলোড়ন তোলে। শুষ্ক বাতাসে হেলেদুলে যায় শুভ্রতায় ঘেরা কাশফুল।
শরতের বন্দনা করতে গিয়ে কবি আল মাহামুদ বলেছেন,
‘ঋতুর অতীত আমি। কে জিজ্ঞাসে এটা কোন মাস?
বাতাসে গড়িয়ে পড়ে বিদায়ের বিষণ্ণ নির্যাস।
শ্রবণের ও শক্তি নেই। কিন্তু ভাবি কোলাহল আছে
প্রতিটা বাড়ির রন্ধ্রে, ইটে ইটে আনাচে- কানাচে!
এটা কি শরৎ সন্ধ্যা? বাংলাদেশ?
কাশফুল ছেয়ে গেছে চর?’
নীল আকাশের সাদা মেঘের সঙ্গে কাশফুলের শুভ্রতা যেন রঙে মেতে উঠে। শরতের আগমনে শুভ্রতা ছড়াতে শুরু করেছে কাশফুল। প্রতিটি ঋতুতে নতুন রঙে সাজে বশেমুরবিপ্রবি। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালুতে ভরে উঠে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ। পৌষ-মাঘে পাতা ঝরে গাছগুলো মুড়ে যায় ডালপালায়। প্রতিটি ঋতুতে নতুন রঙে সাজানো ক্যাম্পাসটি এবারও সেজেছে শুভ্রতায়। সাদা মেঘের ভেলায় সবুজ প্রকৃতি যেন খেলায় মেতে উঠেছে। ভাদ্র-আশ্বিনের এ সময়ে বশেমুরবিপ্রবিতে ফুটেছে কাশফুল, শিক্ষার্থীদের আনাগোনা না বাড়লেও কাশফুল যেন ডাকছে তার দর্শনার্থীদের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনট্রাল মাঠের পাশে, পাহাড়ের পাদদেশে, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবন সংলগ্ন এলাকায় সবুজের মাঝে সাদা হয়ে আছে কাশফুল। দেখলে মনে হবে, শরৎ যেন আছড়ে পড়েছে বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাসে। সেন্ট্রাল মাঠের কাশফুল প্রাঙ্গণে ঘুরতে আসা কাপলদের থেকে অনুভুতি জানতে চাইলে তারা বলেন, “শত ব্যস্ততা, পড়ালেখা, আনুসঙ্গিক কাজের চাপে থেকে শিক্ষার্থীরা হাপিয়ে ওঠে। একটু প্রশান্তি আর মনকে চাঙ্গা করার জন্য শরতের এই সময়ে তারা আসে কাশফুল প্রাঙ্গণে। কাশফুল ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলছে কয়েকগুণ।”




























