মুদ্রা পাচারসহ অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ ও রকেটকে নিয়ে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ পরিচালক মো. মাহমুদ হাসানের সাক্ষর করা নোটিশ বিকাশ প্রতিনিধিকে ১২ই এপ্রিল এবং রকেট প্রতিনিধিকে ১৫ই এপ্রিল সকাল ১০টায় সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে নীতিমালা লঙঘন করে ঘুষ লেনদেন, মুদ্রাপাচার ও মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য শুনতে বৃহস্পতিবার নোটিশ পাঠিয়ে দুই কোম্পানির সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে দুদক কার্যালয়ে হাজির হওয়ার কথা জানানো হয়। এই দুই কর্মকর্তা হলেন বিকাশ লিমিটেডের রেগুলেটরি অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবীর এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এসএভিপি অ্যান্ড হেড অব এফআইডি সাইফুল আলম মো. কবির।

এছাড়াও একই ধরণের অভিযোগে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস, কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিস ও এস.এ পরিহবন- এই তিন কুরিয়ার সার্ভিসের সংশ্লিস্ট নথিপত্র তলব করেছে দুদক। সংশ্লিষ্ট নথিপত্রগুলো আগামী ১২ই এপ্রিলের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠাতে ওই তিন কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বলা হয়েছে।

এদিকে দুর্নীতির অভিযোগে শেরপুরের সংসদ সদস্য ও সরকার দলীয় হুইপ আতিউর রহমান আতিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তাকে ১৭ই এপ্রিল সকাল ১০টায় দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগের কথা বলা হয়েছে নোটিশে।

নিউজ ডেস্ক | বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে