কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক সংগঠন ‘কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি’ কর্তৃক ৫ম বারের মতো আয়োজিত ‘ডিবেটার সার্চ ২০২২’ প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টায় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের কনফারেন্স কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান এবং গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহবুব। সম্মানিত অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের এ.ই.সি.জি.এস.ও-২ (শিক্ষা) মেজর মেহেদী হাসান শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আল নাঈম।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, অনেক সুন্দর বিতর্ক আমরা উপভোগ করলাম। কোন দল বিজিত আর কোন দল বিজয়ী সেটি নিরূপণ করা জটিল। উভয় দলই তাদের স্বপক্ষে তথ্য ও বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। আমি উভয় দলকেই অভিনন্দন জানাই। গবেষণার উপর গুরুত্বারোপ করে তোমরা বক্তব্য উপস্থাপন করেছো। সেজন্য আমি তোমাদেরকে সাধুবাদ জানাই। দু:খজনক হলেও সত্য যে, বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে মানসম্মত গবেষণার এখনো ঘাটতি রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় একটি নবীন বিশ্ববিদ্যালয়, এখানে আমাদের গবেষণার অনেক সুযোগ রয়েছে এবং আমরা গবেষণার জন্য বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছ্,ি নিজস্ব ফান্ড থেকে আর্থিক বরাদ্দ রেখেছি, এটি পরবর্তিতে বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশে^ বাংলাদেশের অনেক শিক্ষক রয়েছেন এবং তারা অত্যন্ত উচ্চমানের গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন অথচ দেশে একই শিক্ষক যখন ফিরে আসেন তখন তিনি একইভাবে গবেষণা কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকতে পারেন না।

বিভিন্ন ধরণের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা করার জন্য সে ধরণের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নাই। আমরা এই ধরণের পরিবেশ ও সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে গবেষণাকে প্রমোট করার চেষ্টা করছি। আমাদের প্রত্যাশা যে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ^বিদ্যালয়টি এগিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, দুটি স্লটে মোট ৪টি ভেন্যুতে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল। নক আউট সিস্টেমে ফাইনালের জন্য দুটি দল নির্বাচিত হয় এতে ইংরেজি বিভাগের দল চ্যাম্পিয়ন হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে