ভারতের বন্দর, সড়ক, নৌপথ ব্যবহার করে বিনা মাশুলে তৃতীয় কোনো দেশে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি করতে পারলে রপ্তানির সুযোগ বেড়ে যাবে। যৌথ বিবৃতিতে ভারতের দেওয়া ট্রানজিট সুবিধার এমন প্রস্তাব বাংলাদেশের বড় অর্জন বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এতে করে দেশের সমুদ্রবন্দরের বাড়তি চাপ এড়িয়ে রপ্তানি সহজ হবে। তবে এক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, এই সুবিধা হয়রানিমুক্ত না হলে আগ্রহ হারাবেন ব্যবসায়ীরা।

শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগ বাড়লেও ভারতের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমেনি। বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রীর সফরেও বড় লক্ষ্য ছিল এদেশে ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো। যৌথ সমীক্ষার সুপারিশও বলছে, ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সেপা দুইদেশের জন্যই কল্যাণকর হবে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দূর করতে হবে সব প্রতিকূলতা। নেপাল ও ভুটানে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে বিনা মূল্যে ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছে ভারত। এবার দেশটি নির্ধারিত স্থল শুল্ক স্টেশন, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর দিয়ে বাংলাদেশকে তৃতীয় দেশে পণ্য রপ্তানির সুবিধা দেওয়ারও প্রস্তাব করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ১২ বছরে ভারত ৭৩৬ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার চুক্তি করলেও ছাড় হয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ। তাই ট্রানজিট সুবিধা বাস্তবায়ন নির্ভর করছে ভারতের আন্তরিকতার ওপর। ভুটানের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে প্রকল্পে অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ। এমন বহুপাক্ষিক যোগাযোগ অবকাঠামোতে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে