
পদ্মা সেতু দেখে যান। ভারতের পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে চিঠি লিখে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে চিঠিটি পৌঁছেছে কলকাতায় মমতার সচিবালয়ে, জানা গেছে ভারতের আননন্দবাজার পত্রিকা সূত্রে। দু’দেশের দুই নেত্রীর সম্পর্ক এমনিতেই অত্যন্ত মধুর। তার প্রমাণ রয়েছে আনুষ্ঠানিক চিঠিটিতেও। যখন ছাপার অক্ষরের পরেও নিজের হাতে হাসিনা মমতাকে লিখেছেন, ‘আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা নিবেন। শেখ হাসিনা।
সম্প্রতি জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের পদ্মা সেতু। সেই সেতু নিয়ে বাংলাদেশের পাশাপাশিই এপার বাংলাতেও সাড়া পড়েছে। মমতাকে হাসিনা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু তার চিঠিতে পদ্মা সেতুর উল্লেখ দেখে মনে করা হচ্ছে, সেই সেতু দেখতে যাওয়ার জন্যও মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। চিঠিতে হাসিনা লিখেছেন, ‘আপনি ইতোমধ্যে জেনেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রদর্শিত পথে আত্মনির্ভরশীল সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাংলাদেশ আরো একধাপ এগিয়ে গিয়েছে। এই সেতু বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র ভারতের আত্মিক বন্ধনকে আরো দৃঢ় করবে ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। পাশাপাশিই হাসিনা মমতাকে লিখেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তিনি দিল্লি সফরে আসছেন। সেই সফর চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গেও দেখা হবে বলে তিনি চিঠিতে আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মমতাকে লিখেছেন, ‘সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ রইল। সেপ্টেম্বর ২০২২’এ আমার নির্ধারিত নয়াদিল্লি সফরকালে আপনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা রাখি। দুই বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি ও আদর্শগত সাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে বিদ্যমান সম্পর্ককে দৃঢ়তর করতে একযোগে কাজ করার বিকল্প নেই।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। এ বছর ২৫ জুন সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেন তিনিই। ২৬ জুন থেকে সেতুতে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
![]()

























