তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। যদিও করোনার কারণে এবার ভার্চুয়ালি ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৮’ই জানুয়ারি) সকাল ১০টার পর এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি সম্মেলন উদ্বোধন করেন এবং বক্তব্য দেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে অধিবেশনগুলোও ভার্চুয়ালি হবে। অন্যান্য বছর জেলা প্রশাসকদের নিয়ে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ সম্মেলন হলেও করোনার কারণে এবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের ভেন্যু হয়েছে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর পর এই সম্মেলন হচ্ছে। এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ২০ জানুয়ারি। সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতি বছর জুলাই মাসে ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, “ডিসি সম্মেলনে এবার আমরা সবকিছু একটু পরিবর্তন করে দিয়েছি। এজন্য আমরা ওসমানীতে নিয়ে গেছি, যাতে পর্যাপ্ত স্পেস পাওয়া যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও কাউকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। শুধু ১৫ জন মন্ত্রী ও ১৫ জন সচিবকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। এ সময় খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, সম্মেলনে মোট ৫৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশগ্রহণ করবে। কার্য অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।

কার্য অধিবেশনগুলোতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, “এবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ২৬৩’টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে