ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক ২০ নেতাকর্মীর ফাঁসি ও ৫ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আবরার হত্যায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামিরা হলেন-বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশারফ সকাল, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মাজেদুর রহমান মাজেদ, সদস্য মুজাহিদুর রহমান, সদস্য হোসেন মোহাম্মদ তোহা, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, শামীম বিল্লাহ, শাদাত হোসেন, সদস্য মুনতাসির আল জেমি, মিজানুর রহমান মিজান, মাহামুদ সেতু, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান, সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মাহমুদুল জিসান, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ।
অন্যদিকে রায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, আকাশ হোসেন, মোয়াজ আবু হোরায়রা, আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, বুয়েট ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না।
বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে আসামিদের আদালতে আনা হয়। এরপর বেলা পৌনে ১২টায় তাদের এজলাসে তোলা হয়।
গত ২৮ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রায় ঘোষণার জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। ওইদিনও আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক



























