বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, তাবিথ আউয়াল, ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরসহ ২৯ ব্যক্তি ও ১৪ প্রতিষ্ঠানের অর্থপাচারের তালিকা হাইকোর্টে জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। পানামা ও প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছে, বাংলাদেশের এমন ৪৩ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করেছে দুদক।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান- ‘গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি জিএফআইয়ে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী–গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে অন্তত ১১ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাচার ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ রোববার ওই প্রতিবেদন দাখিল করেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।এসময় দুদকের আইনজীবী আদালতকে জানান, বিএফআইইউ থেকে অর্থপাচারের কোন তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা কেউ সরকারি চাকরিজীবী নয় বলে আদালতে জানিয়েছে দুদক।বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, তাবিথ আউয়ালসহ ২৯ জনের নাম রয়েছে তালিকায়। যেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়- সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকাও উপস্থাপন করেছে দুদক। পানামা ও প্যারাডাইস পেপারস পর্যালোচনার পর, প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী জানান, আইনি জটিলতায় কাজ এগোতে পারছে না দুদক। এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম আমিন উদ্দিন জানান, ‘আমরা চাই দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং বন্ধ হোক। সবারই দায়িত্ব আছে। শুনানি নিয়ে আদালত সোমবার পরবর্তী দিন রেখেছেন।’গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি দুদকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অর্থপাচাকারীদের তালিকা দেয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এর আগে, সিআইডি তালিকা জমা দেয় আদালতে।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে