কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব। এ সময় ১০টি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ তিনজনকে আটক করে তারা।

সোমবার ভোরে কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ৪ নাম্বার ক্যাম্পের পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব। র‍্যাবের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়েরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে একটি চক্র কারখানাটি তৈরি করে অস্ত্র বানিয়ে আসছিল। এখান থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানায় র‍্যাব। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে কারখানাটি শনাক্ত করা হয়। ভোরে চার ঘণ্টার বেশি সময় অভিযান চালিয়ে পর কারখানাটি নিয়ন্ত্রণে নেয় র‍্যাব। পরে সেখান থেকে পাঁচটি পিস্তল, পাঁচটি বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করে তারা।অভিযানের বিবরণ দিয়ে খায়েরুল ইসলাম বলেন, “র‌্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাদের দিকে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার জন্য র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে র‌্যাব সদস্যরা ওই অস্ত্রের কারখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়।”

আটকরা হলেন- কুতুপালং ১-সি ক্যাম্পের জি-ব্লকের মৃত আজিজুর রহমানের ছেল মো. বায়তুল্লাহ (১৯), তার ভাই হাবিব উল্লাহ (৩২) এবং একই ব্লকের জাহিদ হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাছন (২৪)।আটককৃতদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে