করোনার উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই রাজধানী বসবে ১৮টি অস্থায়ী কোরবানি পশুর হাট।এছাড়া দুই স্থায়ী হাটেও পশু বিক্রি হবে। ১৭’ই জুলাই থেকে ২১’শে জুলাই পর্যন্ত হাটে বেচাবিক্রি চলবে।
জানা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১টি স্থায়ী ও ৮টি অস্থায়ী সর্বমোট ৯টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হবে দোকানপাট-শপিং মল ও গণপরিবহন। এই সময় সরকারি অফিস সরাসরি বন্ধ থাকলেও চলবে ভার্চুয়ালি। তবে বন্ধ থাকবে বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান। তবে ঈদের পর ফের কঠোর লকডাউনের আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ১৩টি অস্থায়ী পশুর হাটের দরপত্র আহ্বান করে।পরে ১০টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা প্রদান করা হয়। এছাড়া রয়েছে একটি স্থায়ী হাট। আর ঢাকা উত্তর ৮টি অস্থায়ী এবং একটি স্থায়ী হাটে কোরবানীর পশু বিক্রি হবে। ঈদুল-আজহার দিনসহ মোট পাঁচ দিন এসব হাটে পশু কেনা-বেচা করা যাবে। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করতে ইজারাদারদের নির্দেশ দিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। ক্রেতাদের প্রবেশ এবং বের হওয়ার আলাদা পথ থাকতে হবে। কেউ এসব শর্ত ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দুই সিটি করপেরেশন।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে উত্তর সিটি এবারও ডিজিটাল পশুর হাট চালু রেখেছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাট বসানো হলেও অনলাইন হাটকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এদিকে, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ ঈদের আগে আগামী ১৫ জুলাই থেকে অনেকটাই শিথিল হয়ে যাচ্ছে। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন, দোকানপাটসহ প্রায় সবকিছুই চালুর অনুমোদন দেয়া হতে পারে। একই সঙ্গে কোরবানির হাটও চলবে। এসব বিষয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুয়ায়ী কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলা হতে পারে বলে সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় গরু ব্যবসায়ী, দোকান মালিকদের কথা বিবেচনা করেই সরকার চলমান বিধিনিষেধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রজ্ঞাপনে বিষয়গুলো পরিস্কার করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।



























