সরকারের নির্মাণ ও উন্নয়নখাতের সাবেক ও বর্তমান শতাধিক প্রকৌশলীর দুর্নীতি অনুসন্ধান বা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। কিন্তু তাতেও এইসব খাতে দুর্নীতি কমছে না বলে মনে করে টিআইবি। আর দুদকের আইনজীবী বলছেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সদিচ্ছা না থাকায় দুর্নীতি কমানো যাচ্ছে না।
প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার কিছু দিনের মধ্যে নতুন নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আবার ওঠে দুর্নীতির অভিযোগ। দুদকের আইনজীবী বলছেন, দুর্নীতি মামলা প্রমাণ হওয়া দীর্ঘ সময়ের বিষয়। এই সময়ে মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বদলী হয়ে অনেক সময় আরো গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব পান। যার কারণে উৎসাহিত হয় দুর্নীতিবাজরা।
দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ণের সাথে সমান তালে বেড়ে চলেছে দুর্নীতির অভিযোগ। প্রায়ই দুর্নীতির অভিযোগে প্রকৌশলীদের বদলী, ওএসডির খবর পাওয়া যায়। গেলো মাসে গণপূর্তের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বসুর সম্পদের হিসেব চেয়েছে দুদক। এর আগে গণপূর্তের সাবেক তিন প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। মাঠ পর্যায়ের অভিযুক্তদের মধ্যে উপসহকারী প্রকৌশলী আলী আকবর ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজসে দুর্নীতি সংগঠিত হয়। যার কারণে নির্মাণ বা উন্নয়নখাতে দুর্নীতির খুব অল্পই প্রকাশ পায় বলে জানিয়েছে টিআইবি।গত ৫ বছরে সরকারের বিভিন্ন খাতের সাবেক বর্তমান মিলিয়ে শতাধিক প্রকৌশলির দুর্নীতি মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে দুদক।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














