
করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সীমিত পরিসরে বিধিনিষেধের শেষ দিন আজ। বিধিনিষেধের কারনে গণপরিবহন বন্ধ রেখে সীমিত পরিসরে অফিস-আদালত চালু থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসগামী মানুষ। রাস্তার স্থানে স্থানে অফিসগামী যাত্রীরা ভিড় করেছেন কিন্তু কোথাও বাস নেই, মিনিবাস নেই, অটোরিকশাও কম। যে রিকশাগুলো চলছে সেগুলোর ভাড়াও স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। অনেকে আবার দিগুণ ভাড়ায় রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। আর রাজপথ চলে গেছে প্রাইভেট কারের দখলে, প্রচণ্ড যানজটও প্রাইভেট কারের কারণে। আজ বুধবার সকাল ৮’টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আফিসগামী মানুষের ভোগান্তির এমন চিত্র দেখা গেছে।
আরিফ হোসেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। পশ্চিম শেওড়াপাড়া থেকে যাবেন আগারগাঁও। বাসে ৫’মিনিটের পথ, রিকশায় ১০ মিনিট কিন্তু দীর্ঘ এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর পেলেন রিকশা। ২০’টাকার ভাড়া গুণতে হলো ৫০’টাকা। শুধু তাই নয়, রিকশায় চড়ে আধাঘণ্টা ধরে ঠাঁই দাঁড়িয়ে রয়েছেন শেওড়াপাড়াতেই। প্রাইভেট কারের কারণে রাস্তায় প্রচুর জ্যামের কারণে। তিনি বলেন, ‘সীমিত পরিসে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়েছে। অফিস খোলা আছে, অফিস তো যেতেই হবে, চাকরি বাঁচাতে হবে। চাকরি চলে গেলে পরিবার নিয়ে বিপদে পড়ে যাব। যত কষ্ট পোহাতে হয় আমাদের মত সাধারণ মানুষের। যে যেভাবে পারছে ভাড়া চাইছে, বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে, কে দেখবে এইসব অসংগতি আর সমস্যাগুলো, দেখার কেউ নেই?’ একই চিত্র রাজধানীর শাহবাগ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, আসাদগেটসহ বিভিন্ন স্থানে। গণপরিবহনের অভাবে অনেকে হেঁটেই অফিসে রওনা হয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পণ্যবাহী যান চলাচল করছে রাজধানী ঢাকায়। সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকে বাধ্য হয়ে এসব যানবাহনেও উঠেছেন। এর আগে ২৭’শে জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বলা হয়, সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যতীত সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














