ডাকঘরে ২০১০ সালে চালু হয় মোবাইলের মাধ্যমে টাকা পাঠানো। তখন প্রতি হাজার টাকা পাঠাতে খরচ হত ১০ টাকা। এখন সাড়ে ১৮ টাকা। যা বেসরকারী মাধ্যমগুলোর সমান। গ্রাহকদের অভিযোগ, মোবাইলের টাকাও গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগছে দুই-তিন দিনের বেশি। ডাক বিভাগের চিঠি, পার্সেল দেরিতে পৌঁছানো এবং খরচ বেড়ে যাওয়ায় সুযোগ নিয়েছে বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসগুলো।

গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র আদান-প্রদানে বিশ্বব্যাপী ডাকঘরের গুরুত্ব বাড়লেও কমছে দেশে। জনমুখী সেবা দিতে না পারার কারণে এ অবস্থা বলছেন বিশ্লেষকরা। ডাকঘরে দুই ডজনেরও বেশি সেবা চালু থাকলেও সঞ্চয়পত্র কেনা ছাড়া কোনো সেবা-ই আগ্রহ বাড়াতে পারেনি গ্রাহকের। এসএমএস, ই-মেইল আর ফেসবুক, ভাইবার যুগে, যেন হারিয়ে যেতে বসেছে ডাকঘরের প্রয়োজনীয়তা।তবে প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ডাকঘরে গ্রান্টেড মেইল এক্সপ্রেস, এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিস, মোবাইল মানি অর্ডারসহ দুই ডজনেরও বেশি সেবা চালু হয়েছে। ৮ হাজার ৫০০টি ডাকঘরে আছে ই-সেন্টার সেবা। চিঠিপত্র ডাক বিভাগের মাধ্যমে আসা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। কোন ডাকঘরে আবার প্রয়োজনীয় কম্পিউটারটিই নষ্ট। কোনটিতে কম্পিউটারই নেই।

তবে ডাকঘরের সেবাগুলোর মধ্যে কিছুটা টিকে আছে সঞ্চয়পত্র। সেখানেও আছে নানা অভিযোগ।এসব নানা অব্যবস্থপনার বিষয়ে ক্যামেরায় কথা বলতে রানি হননি বিভাগের মহাপরিচালক। তবে নতুন দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী জানিয়েছেন প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে গুরুত্ব দেবেন তিনি।ডাক বিভাগের উন্নয়নে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার দাবি গ্রাহকদের।

ন্যাশনাল ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে