কোলকাতার দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের, গোরা-বাজারে ২০০৬ সালের পর আবার ২০১৮তে কাল মধ্য রাতে হঠাৎ করে আগুন লাগার কারণে দমদম গোরা-বাজারের ভেতরের বাজারটা পুরো পুরে ছাই হয়ে যায় । প্রকাশ্য সুত্রে জানা যায় যে এই বিষ্ফোরন টি গ্যাস ফাটার কারণে হয়।

জানা যায় বাজারের ৪৫০ টা দোকানের মধ্যে ৩৫০ টা দোকানের কোন অস্তিত্ব নেই । প্রায় ১৩ ঘন্টার ওপর হয়ে গেলেও, পুরো আগুন নেভানো যায়নি । দমকল বাহিনীরা জানিয়েছেন যে আগুন নেভানোর চেষ্টায়, তাদের ডি.ও. সাহেব জনাব সৌমিত চৌধুরীর হাত খানিকটা পুরে যায় ও একজন কর্মীও আহত হয়। তারা বললেন – “ফরেন্সিক রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত, আগুন লাগার সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।” নিরাপত্তা রক্ষীর বক্তব্য – রাতে যখন তিনি বাজারের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন বাজারের ভেতরে আগুন দেখতে পেয়ে তিনি জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন । নেভাতে না পেরে, পুলিশে খবর দেন ও যথাযথ সময়ে ৩ টি দমকল এসে হাজির হয়। জল কম পরার ফলে আরো দমকলবাহিনী ডাকানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে আগুন সারা বাজারে ছরিয়ে পরে ।

লোকাল কাউন্সিলর খবর পেয়ে সাথে সাথে আসে ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং বাজারের ভেতর থেকে দুটি মৃত দেহ উদ্ধার করান, যার মধ্যে একজনের বাড়ি বিহার ও আরেকজন কোলকাতার মানুষ । খাদ্য মন্ত্রী জতিপ্রিয় মল্লিক ঘটনা স্থলে এসে পুরোটা পরিদর্শন করে দেখেন ।তার সাথে ছিলেন দমদমের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও দমদম পৌরসভার সি. য়াই. সি-র সদস্যরা ।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বললেন -“সরকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে যতটা সম্ভব থাকার চেষ্টা করবে ও যে দুইজন নিহত হয়েছে, সরকার তাদের পরিবারের কোন এক সদস্যকে সরকারি চাকরি করে দেওয়ারও চেষ্টা করবে।”

কোয়েনা চক্রবর্তী, কোলকাতা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে