
কয়েকজন বোর্ড সদস্যের অসম্মতির পরও করোনার লকডাউনের মধ্যেই আবার পাঁচ’শতাংশ পানির দাম বাড়িয়েছে ঢাকা ওয়সা। ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসেই পানির দাম বাড়ালেন ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান।
নতুন দর অনুযায়ী আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি ১ হাজার লিটার পানির দাম দাঁড়াবে ১৫ টাকা ১৮ পয়সা। বর্তমানে ১ হাজার লিটার পানির দাম ১৪ টাকা ৪৬ পয়সা। নতুন দাম কার্যকর হলে বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার পানির দাম দিতে হবে ৪২ টাকা, যা আগে ছিল ৪০ টাকা। সোমবার ওয়াসার বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন এ পানির দাম কার্যকর হবে পহেলা জুলাই থেকে। এ নিয়ে ১৩ বছরে পানির দাম বাড়ানো হলো ১৪ বার।
২০০৯ সালে প্রথম দফায় নিয়োগ পাওয়ার পর আর পদ ছাড়তে হয়নি তাকসিম এ খানকে। নাগরিক সেবার মান নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও নানা বিতর্কের মুখে পড়লেও ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে বারবার পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। ষষ্ঠবারের মতো তাকসিম এ খানকে ওয়াসার এমডি হিসেবে নিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয় গত ১ অক্টোবর। প্রতিবারই তার নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
দাম বাড়ানোর বিষয়ে ওয়াসা বলছে, পানি উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে অনেক ব্যবধান। বর্তমানে প্রতি ১ হাজার লিটার পানির উৎপাদনে প্রায় ২৫ টাকা ব্যয় হচ্ছে। আর তা বিক্রি করতে হচ্ছে ১৪ টাকা ৪৬ পয়সায়। ওয়াসার আইন ১৯৯৬–এর ২২ (২) ধারা অনুযায়ী সংস্থাটির বোর্ড ৫ শতাংশ হারে পানির দাম বাড়াতে পারে।
ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের সদস্য খ.ম. মামুন রশিদ শুভ্র জানান, গত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত সভায় করোনা মহামারির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পানির দাম বাড়ানো হয়নি। এখনো করোনার প্রকোপ চলছে, এরপরও দাম বাড়ানো হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্চ মাসে ভীতিকর পরিস্থিতি ছিল। এখন ভীতি থেকে মানুষ বেরিয়ে আসছে। এটা দাম বাড়ানো নয়, আমরা দাম সমন্বয় বলি। প্রতিবছর পানি উৎপাদন করতে গিয়ে আমাদের খরচ বেড়ে যায়। এবারো করোনার মধ্যে দাম বাড়াতে কয়েক জন বোর্ড সদস্য অসম্মতি জানালেও নানা যুক্তিতে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























