গুলশান লেকের তিনটি শাখা। একটি হাতিরঝিল থেকে গুলশান হয়ে বনানী, দ্বিতীয়টি বাড্ডা হয়ে বারিধারা আর তৃতীয়টি কুড়িল হয়ে বয়ে গেছে বনানী কবরস্তানের পাশ দিয়ে।সংকীর্ণ করে ফেলা হচ্ছে রাজধানীর গুলশান লেক। অভিযোগ উঠেছে উন্নয়নের নামে দুই তীর ভরাট করে মূল জলাশয়কে তিনভাগের একভাগে নামিয়ে আনার। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা দখলমুক্ত না করে তীর চূড়ান্ত করলে পার পাবেন ভূমিদস্যুরা। দখল ঠেকানোর পাশাপাশি লেকের সৌন্দর্য বাড়ানোর কথা বলছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক।

গুলশান লেক উন্নয়নে ২০১০ সালে ৩শ কোটি টাকার প্রকল্প নেয় রাজউক। প্রকল্পে প্রায় সাড়ে আট কিলোমিটার লেকের দুপাশে হাঁটার পথ নির্মাণ ও সৌন্দর্য বাড়ানো উদ্যোগ নেয়া হয়। আশির দশকেও প্রায় আটশো মিটার প্রশস্ত ছিলো এই লেক। পরে দফায় দফায় ভরাট হয়ে সর্বোচ্চ ৪শ ১০ মিটার থেকে দেড়শো মিটারে নেমে এসেছে। ভরাট করে উচু ভবনও বানিয়েছে দখলদারেরা।

তবে পরিবেশবিদদের অভিযোগ, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দখলদারদের বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছে রাজউক। একইসঙ্গে নতুন করে তীর নির্মাণের নামে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে প্লট বাণিজ্যের। রাজউকের দাবি, হাতিরঝিলের আদলে গড়ে তোলা হবে রাজধানীর প্রতিটি জলাশয়। দখলদারদের সঙ্গে আইনি লড়াই চালানোর পাশাপাশি নতুন করে দখল ঠেকাতেই নেয়া হয়েছে এ প্রকল্প। অবৈধ ভবন মালিকদের বিষয়ে আদালতের একাধিক নির্দেশনা থাকলেও রাজউক বলছে, প্রয়োজনে তা অধিগ্রহণ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে শেষ হবার কথা রয়েছে প্রকল্পের কাজ।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে