বির্তক পিছু ছাড়ছে না চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলমের কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের। প্রকল্পটি ঘিরে ভূমি অধিগ্রহণ থেকেই লেগে আছে নানা সংঘাত। আর তাতে এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে অন্তত ১২’জনের। বিশাল এই প্রকল্পকে ঘিরে বার বার এমন প্রাণহানির পেছনে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দুষছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৬’সালে এপ্রিলে ভূমি অধিগ্রহন আর পরিবেশ নিয়ে প্রথমেই স্থানীয়দের বিরোধিতার মুখে পড়ে বাঁশখালী কয়লা বিদ্যুত প্রকল্প।
বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটির ব্যানারে স্থানীয়রা আন্দোলন শুরু করলে, সে বছরের ৬’ই এপ্রিল পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারান ৬’গ্রামবাসী। ২০১৭’সালের প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহনের টাকা নিয়ে বিরোধে মারা যান একজন। এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৮০ ভাগ। আবারো রক্তাক্ত প্রকল্প এলাকা। এবার শ্রমিকদের বিক্ষোভ আর ভাঙচুরের মুখে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারান ৫ জন। আহত হয় ৩ পুলিশসহ অন্তত ১৯ জন। ২০১৬’সালে স্থানীয়দের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী। তার দাবি, আন্দোলনের কারণেই প্রকল্পে নেয়া হয় বেশ কিছু সংস্কার কার্যক্রম। আন্দোলন না করলে জনগণের আরো ক্ষতি হত।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম অভিযোগ করেন, এসব প্রাণহানির পেছনে পাওয়ার প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের দায় সবচেয়ে বেশি। এদিকে আগামীতে প্রকল্প এলাকায় এ ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন। ১’হাজার ৩২০’মেগাওয়াটের এই বিদ্যুত কেন্দ্রে এস আলম গ্রুপের বিনিয়োগ ৭০’ভাগ, বাকি ৩০’ভাগ বিনিয়োগ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান সেফকোথ্রি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














