
মহামারী মোকাবেলায় সঙ্কটময় সময় পার করছে দেশের মানুষ। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগী বাড়ছে। অনেকের দ্রুত ফুসফুসের সংক্রমণ গুরুতর হওয়ায় দরকার হচ্ছে আইসিইউ। কিন্তু, আইসিইউ যে সোনার হরিন, ছুটছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে, হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ শয্যা খালি পাচ্ছেন না রোগীরা, আহাজারী করছে স্বজনরা। সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ১৫’জেলায় নেই কোন আইসিইউ। ঢাকায় যা আছে তার প্রায়ই রোগীতে পূর্ণ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সারাদেশে আইসিইউ শয্যা আছে ৯শ’ ২৪টি। এর মধ্যে কেবল অভিজাত ব্যয়বহুল হাসপাতালেই খালি আছে অল্প সংখ্যক আইসিইউ শয্যা। করোনা সংক্রমণের উচ্চঝুঁকিতে থাকা ৩১ জেলার ১৫টিতেই নেই আইসিইউ। আর যেসব জেলায় আছে, সেখানেও রোগীর তুলনায় অপ্রতুল। গেল একবছরেও আইসিইউ শয্যা করতে না পারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গাফিলতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন আজিজুল হক। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে এসে সেই বীর যোদ্ধার জন্য হাসপাতালে আইসিইউ মিলছেনা। ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া থেকে মূমুর্ষু অবস্থায় তাকে পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষার পরও মেলেনি একটি আইসিইউ। একটি জীবন বাচাঁতে স্বজনদের কত প্রাণপণ চেষ্টা, প্রিয়জনকে বাচাঁনোর জন্য এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে কত ছুটাছুটি। কিন্তু কোথাও আইসিইউ নেই। এমন নানান উদারহন তৈরি হয়েছে মানুষের জীবনে, করোনায় চিকিৎসা না পেয়ে স্বজন হারানোর আহজারিতে দেশের মানুষ।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























