করোনা মহামারির বছরে করোনা রোগীর চাপ সামলাতে বসুন্ধরা কনভেশন সিটিতে দুই হাজার শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৩১’কোটি ২৭’লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হাসপাতালটি চার মাস পর বন্ধ করে দেয়া হয়। আবার করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় আলোচনায় আসে উধাও হয়ে যাওয়া হাসপাতালটি।

এছাড়া মহাখালী ডিএনসিসির ভবনে করা হাসপাতালে সেবা চালু না হলেও পঞ্চম তলায় আরেকটি হাসপাতাল করার উদ্যোগ নিয়েও আছে নানা আলোচনা। করোনার শুরুতে গত বছর দুই হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতালটি ছিলো রাজধানীর তিন’শ ফুট সড়ক এলাকায় বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে। স্বল্পতম সময়ে এই আইসোলেশন সেন্টার নির্মানের পর তা উদ্বোধনও করেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো চিকিৎসক ও নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবলও। এতে সরকারের ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এখন সেখানে এসবের কিছুই নেই। কেন এই অস্থায়ী হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে গেল তার সঠিক উত্তর নেই সংশ্লিষ্টদের কাছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক জানালেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়ে বসুন্ধরা এলাকার হাসপাতালটি গুটিয়ে নিয়েছেন তারা। ১৯৫ জন ডাক্তারসহ জনবল ও মালামাল পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। এছাড়া প্রায় ১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মহাখালী ভবনে নির্মাণ করা হাসপাতালটিও অব্যবহৃত। তারপরও ওই ভবনের আরেক তলায় নতুন করে শয্যা ও আনুসাঙ্গিক আসবাবপত্র এনে হাসপাতাল নির্মাণের তোড়জোড় চলছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানিয়েছেন দুইটি হাসপাতালে প্রায় অর্ধ শত কোটি টাকার কেনাকাটায় অর্থের নয় ছয় হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে