সিটিং সার্ভিসের নামে অনিয়ম বন্ধে অভিযান শুরুর পর ঢাকায় চলছে বাসের তীব্র সংকট। বিআরটিএ ও মালিক সমিতির যৌথ অভিযান চললেও আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। বিআরটিসির বাসও চলছে কম। তবে দুপুরে বিআরটিএ জানিয়েছে যাত্রী ভোগান্তি কমাতে বিআরটিসির ৫০০ বাস রাজধানীতে সচল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলছেন পরিবহন মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় ব্যবস্থা নেয়া কঠিন।

রাজধানীতে যে সব বাস চলছে তার সবগুলোতে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টানানো রেই। যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার পাশাপাশি আগের সিটিং সার্ভিসের ভাড়া আদায়ও চলছে। যাত্রীরা প্রতিবাদ করলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর। সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৃতীয় দিনের অভিযানে রাস্তায় বাস নেমেছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম। গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন নগরবাসী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে গাড়িতেই উঠতে পারছেন না।

যারা রাস্তায় গাড়ি নামাচ্ছে না আগামী সপ্তাহে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকট সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বাস মালিক সমিতি। বিআরটিএ জানিয়েছে, যারা রাস্তায় গাড়ি নামায়নি তাদের তালিকা তৈরি করে করা হচ্ছে। এদিকে রাজধানীতে সরকারি পরিবহণ সংস্থা বিআরটিসির বাসও খুব বেশি দেখা যায়নি। সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেছেন পরিবহন মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় ব্যবস্থা নেয়া কঠিন হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














